অনুদান/Donate

মহামারির এই সময়ে আপনার অংশগ্রহণ সহজ করে দিতে পারে অনেকের জীবন। আপনার প্রদান করা অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং, কার্ড বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং-যেকোনো মাধ্যমেই  নিরাপদ ও নিশ্চয়তার সাথে পৌঁছে যাবে আপনার কাঙ্খিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হোক দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের শুরু। হাতে হাত রেখে গড়ি নতুন এক বাংলাদেশ।

 

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন একটি শীর্ষস্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ৬টি এতিমখানা, ১১টি স্কুল ছাড়াও এক টাকায় আহার, পাঁচ টাকায় স্যানিটারি প্যাড, ৭১ টাকায় মেয়েদের আবাসিক হোটেল, গার্মেন্টস, শরনার্থীদের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা সহ বিভিন্ন ধরণের সামাজিক উদ্যোগ বাস্তায়ন করছে। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন দূর্যোগে বড় ধরণের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন: https://bidyanondo.org/

উদ্যোগ-১: তিন লক্ষ দুঃস্থ পরিবারের জন্য দশ দিনের খাবার প্রদান

উদ্যোগ-২: যাকাতের অর্থে পুনর্বাসন প্রকল্প

উদ্যোগ-৩: করোনার বিরুদ্ধে লড়াই

অনুদান পাঠাতে লিংকে ক্লিক করুন - অনুদান প্রদান করুন

 

                ব্র্যাক

ব্র্যাক বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন সংস্থা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ কেসিএমজি ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। দারিদ্র্য, অশিক্ষা, ব্যাধি এবং সামাজিক অবিচার দূরীভূত করে দরিদ্র মানুষ এবং জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের পথকে প্রশস্ত করার লক্ষে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে ব্র্যাক। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যে কোন দুর্যোগে সাড়াদানের ক্ষেত্রে ব্র্যাক সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১১টি দেশে ব্র্যাকের লক্ষাধিক কর্মী প্রায় তের কোটি মানুষের জীবনে উন্নয়নের স্পর্শ রেখে যাচ্ছে। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন: http://www.brac.net/

উদ্যোগ ১: অতিদরিদ্র পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান

অনুদান পাঠাতে লিংকে ক্লিক করুন - অনুদান প্রদান করুন

 

              সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্টসিজেডএম

 

সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম) বিগত প্রায় একযুগ ধরে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাার মাধ্যমে যাকাত তহবিল দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সিজেডএম দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করা, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলের সুবিধাবঞ্ছিত শিক্ষার্থীদের মাসিক বৃত্তি প্রদান, বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, সুবিধাবঞ্ছিত শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টি সহায়তা, অসহায় নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আরও নানা ধরণের মানবিক সহায়তামূলক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্ছলে সিজেডএম- এর পরিচালিত কর্মসূচী থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ লক্ষ মানুষ সুফল ভোগ করেছে। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন: https://czm-bd.org/

উদ্যোগ-১: দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ

অনুদান পাঠাতে লিংকে ক্লিক করুন - অনুদান প্রদান করুন

 

             পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি)

পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) বাংলাদেশের পঙ্গু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সর্ববৃহৎ এবং পুর্নাঙ্গ একটি প্রতিষ্ঠান। Dr. Valerie Ann Taylor নামে একজন ব্রিটিশ ফিজিওথেরাপিস্ট ১৯৭৯ সালে সিআরপি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি অলাভজনক এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকল ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা না করে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করে থাকে। যা বর্তমানে ট্রাস্ট ফর দি রিহ্যাবিলিটশন অব দি প্যারালাইজড (টি,আর,পি) এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। সি,আর,পি’তে প্রতি বছর প্রায় ৭০,০০০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। এই বিপুল সংখ্যক রোগীর চাহিদা পুরনে এবং উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদানের লক্ষে সি,আর,পি দেশের সকল বিভাগে বিভাগীয় কেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ গ্রহন করেছে। বর্তমানে সারা বাংলাদেশে সিআরপি’র ১২ টি সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সেবা সমূহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে পৌছানোর লক্ষ্যে সর্বাাত্নক উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন: https://www.crp-bangladesh.org/

উদ্যোগ-১: কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ

অনুদান পাঠাতে লিংকে ক্লিক করুন - অনুদান প্রদান করুন

 

    ইসলামিক ফাউেণ্ডশন

ইসলাম প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশবলে ‘ইসলামিক ফাউণ্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে ‘ইসলামিক ফাউণ্ডেশন এ্যাক্ট ’ প্রণীত হয়। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। সুপ্রাচীনকাল থেকে এদেশে ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধের লালন ও চর্চা হয়ে আসছে। ইসলামের এই সমুন্নত আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৮২ সালের ৫ জুন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এক অধ্যাদেশবলে যাকাত ফান্ড গঠন করেন এবং ফান্ড পরিচালনার জন্য উক্ত অধ্যাদেশে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট যাকাত বোর্ড গঠন করা হয়। যাকাত বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: http://www.islamicfoundation.gov.bd/

উদ্যোগ ১: যাকাত ফান্ডের মাধ্যমে করোনা

অনুদান পাঠাতে লিংকে ক্লিক করুন - অনুদান প্রদান করুন

 

     সাজেদা ফাউন্ডেশন

সমাজের তুলনামূলক সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন সেবা নিশ্চিত করা সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রধান উদ্দেশ্য। বিভিন্ন উন্নয়ন সেবা কর্মসূচী পরিচালনার মধ্য দিয়ে সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর বহুমাত্রিক ও সমন্বিত উন্নয়নের ধারা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণ, স্বাস্থ্য, কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা বীমা, আমরাও মানুষ’সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচীর মাধ্যমে সাম্যভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। সমাজের স্ব স্ব অবস্থান, মর্যাদা, পারিবারিক কাঠামো এবং সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা ও গুণগতমান সম্পন্ন সেবার অঙ্গীকার সাজেদা ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রধান মূলনীতি। সাজেদা ফাউন্ডেশন কোভিড-১৯ দুর্যোগ মোকাবেলায় এগিয়ে আসা প্রথম সংস্থাগুলোর একটি। সাজেদা ফাউন্ডেশন গত দুই মাসে ২০ লক্ষ মানুষকে সহযোগিতা প্রদান করেছে এবং পরবর্তী ছয় মাসে আরো ২০ লক্ষ মানুষকে সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্য স্থির করেছে। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সাজেদা ফাউন্ডেশন কোভিড নিয়ন্ত্রন, চিকিৎসা ও প্রতিকারসহ যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেগুলো। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: https://www.sajidafoundation.org/

উদ্যোগ ১: কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা

উদ্যোগ ২: ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মাঝে জরুরী খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষা প্যাকেট বিতরণ

অনুদান পাঠাতে লিংকে ক্লিক করুন - অনুদান প্রদান করুন